Skip to content Skip to footer

অনলাইনে শেখার আদ্যোপান্তে

আজকাল অফলাইনে শেখার পাশাপাশি অনলাইনে শেখার একটা নতুন মাত্রা সৃষ্টি হয়েছে। অফলাইনে শেখার মতো অনলাইনেও কিছু কাজের মাধ্যমে নিরাপদ ভাবে ঘরে বসে, বিনামূল্যে এবং খুব কম পরিশ্রমে শেখা সম্ভব। আমাদের দেশে প্রতিদিন অসংখ্য শিক্ষার্থী অনলাইনে শিখছে এবং উপকৃত হচ্ছে। অনেকে লেখাপড়া থেকে শুরু করে স্কিল ডেভলপমেন্ট এর বিভিন্ন সমস্যা অনলাইনে সমাধান করছে। আজকাল আমরা প্রায় সকলেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের  সাথে সম্পৃক্ত। বিশেষ করে ফেসবুক, ইউটিউব ব্যবহার করে না এর সংখ্যা নেই বললেও চলে। আমরা সবাই ফেইসবুক বা ইউটিউবকে শুধু বিনোদনের মাধ্যম হিসাবে ব্যবহার করি। কিন্তু ফেসবুক বা ইউটিউবে চাইলে সেখাও সম্ভব। আজকের আলোচনায় কিভাবে অনলাইনে শেখা দেয় সেটা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।

অনলাইনে শেখার জন্য আমাদের হাতে থাকা মোবাইল ফোন কিংবা ল্যাপটপ বা কম্পিউটারই যথেষ্ট। অনলাইনে যেভাবে শেখা যায়ঃ

দৈনন্দিন শেখায় ইউটিউব।

 বর্তমান আমাদের দেশে ইউটিউব ব্যবহার করে না এরকম সংখ্যা প্রায় নেই বললেই চলে। ইউটিউব এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে সব ধরনের ভিডিও পাওয়া যায়। লেখাপড়া, স্কিল ডেভলপমেন্ট, স্পোকেন ইংলিশ, আইটিতে দক্ষতা সহ সকল বিষয়ে উপর শেখা যায়। এছাড়াও গ্রামের শিক্ষার্থীর সাথে শহরের শিক্ষার্থীর সংযোগ স্থাপন করেছে ইউটিউব। আজকাল অনলাইনে শেখার একটা গুরুত্বপূর্ণ এবং খুব সহজ মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে ইউটিউব। আমাদের দেশের দেশবরেণ্য শিক্ষকগণ ইউটিউব এর মাধ্যমে ক্লাস নিয়ে একজন গ্রামের শিক্ষার্থীকে যুগোপযোগী করে তুলছেন। এছাড়াও ইউটিউব লাইভ নামে একটা অপশন আছে। আজকাল সেখানে অনেকে সরাসরি শেখাচ্ছে এবং অনেকেই শিখছে। ইউটিউব লাইভ এর মাধ্যমে শিক্ষার একটা মজার বিষয় হচ্ছে সেখানে সরাসরি প্রশ্ন করা যায় এবং তার উত্তর পাওয়া যায়। স্কিল ডেভলপমেন্ট এর ক্ষেত্রে ইউটিউব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। স্কিল ডেভলপমেন্ট সম্পর্কিত বিভিন্ন কোর্স ইউটিউবে পাওয়া যাচ্ছে এবং সেগুলো করে অনেকেই উপকৃত হচ্ছে। আজকাল ইউটিউবে যে শুধু বিনোদন পাওয়া যায় তা নয়, ইউটিউবে নতুন কিছু শেখা সম্ভব। কেমন হয় বিষয়টা যদি ইউটিউবে শেখা যায়?

নিশ্চয়ই ভালো। আজ থেকে ইউটিউবে অযথা ভিডিও দেখার পাশাপাশি শেখা শুরু করে দাও।

ফেসবুকের সদ্ব্যবহার

বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক। আমাদের দেশে তরুণরা কিংবা যুবকরা থেকে শুরু করে প্রায় সবাই ফেইসবুক ব্যবহার করে। ফেইসবুকে আমরা নানাভাবে শিখতে পারি। ফেসবুকের গ্রুপ, মেসেঞ্জার গ্রুপ, লাইভ অপশন ও ভিডিওর মাধ্যমে শেখা সম্ভব। আমাদের দেশের বহু শিক্ষার্থী ফেসবুকের মাধ্যমে শিখছে। আমাদের দেশে বহু অনলাইন এডুকেশন প্ল্যাটফর্ম আছে যেগুলো মূলত ফেসবুক পেজের মাধ্যমেই শিক্ষা দিয়ে থাকে। এছাড়াও গ্রুপ স্টাডির ক্ষেত্রে ফেসবুক গ্রুপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে যুক্ত থাকা সকল শিক্ষার্থী ফেসবুক গ্রুপের মাধ্যমে গ্রুপে স্টাডি করতে পারে। এর বেশ কিছু উপকারিতা লক্ষণীয়। লেখা পড়ার ক্ষেত্রে আসি। অনেক শিক্ষার্থী লেখাপড়ার নোট করে আপলোড দেয় সেখানে সেগুলো নোট দেখে অনেক শিক্ষার্থী উপকৃত হয়। এছাড়াও আজকাল অনেকে ফেসবুক লাইভ এর মাধ্যমে সরাসরি শিখছে। এর ফলে একজন শিক্ষার্থীর সময় এবং অর্থ সাশ্রয় হচ্ছে। পাশাপাশি ঘরে বসে নতুন কিছু শেখা হচ্ছে। এছাড়াও ইংরেজি শেখার ক্ষেত্রে ফেইসবুক আমাদেরকে কাজে দিতে পারে। কেমন হয় ফেইসবুকে শেখা? চেষ্টা করে দেখতে পারো কিন্তু।

মেসেজিং এ হবে শেখা

 সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমরা আজকাল বন্ধুদের সাথে সারাদিনভর বার্তা বিনিময় করি। আমরা চাইলে ম্যাসেজিং এর মাধ্যমেও শিখতে পারি। মেসেজ করার সময় সংক্ষিপ্ত না লিখে যদি সম্পূর্ণ বাক্য ইংরেজিতে লিখি , তাহলে ইংরেজি শেখার ক্ষেত্রে বেশ কাজে দিবে। এছাড়াও মেসেজিংয়ে ইংরেজি ব্যবহার করার ফলে আমাদের ইংরেজিতে যে ভয় বা জড়তা আছে সেটা কেটে যাবে। এছাড়াও কমিউনিকেশন স্কিল বৃদ্ধি করার ক্ষেত্রে ম্যাসেজিং গুরুত্বপূর্ণ। ইংরেজি চর্চা করার ক্ষেত্রে আমরা আমাদের বন্ধুদেরকে মিলিয়ে একটি মেসেঞ্জার গ্রুপ বানাতে পারি। সেখানে  ইংরেজি দিয়ে কথা বলতে পারি। ইংরেজি শিক্ষার ক্ষেত্রে ম্যাসেজিং কে কাজে লাগাতে পারো। পাবলিক স্পিকিং এর ক্ষেত্রেও সেটাও করতে পারি। বর্তমান সময়ে অন্য কিছু গুণের মধ্যে পাবলিক স্পিকিং এর গুন থাকা অবশ্যক। কয়েকজন বন্ধুকে মিলে একটা মেসেঞ্জার গ্রুপ বানিয়ে সেখানে ভিডিও কলের মাধ্যমে পাবলিক স্পিকিং চর্চা করা সম্ভব।

অনলাইন কোর্স এ হব দক্ষ

ইন্টারনেট ব্যবহারে বিনামূল্যে কোর্স সম্পন্ন করতে পারেন একদম ঘরে বসেই। এমআইটি, অক্সফোর্ড, হার্ভার্ড, সহ বিশ্বের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয় বিনামূল্যে অনলাইনে কোর্স করার সুযোগ দেয়। ইউনিভার্সিটি গুলোর ওয়েবসাইটে গিয়ে বিনামূল্যে কোর্স করার ফলে আমাদের সে বিষয় গুলোর উপর বেশ দক্ষতার চলে আসে। এবং মানুষ এই বিষয়গুলোকে আত্মস্থ করে নিতে পারি। অনলাইনে টপিক ভিত্তিক বিভিন্ন বিষয়ের উপর কোর্স থাকে আমরা চাইলে সে কোর্সগুলোও করতে পারি।

কিছু জনপ্রিয় অনলাইন প্লাটফর্মঃ

নিত্য শেখায় অনলাইন

নতুন ভাষা শেখা, কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ইত্যাদি আজকাল অনলাইনে শেখা সম্ভব। আমরা ঘরে বসে সময় মত এগুলোকে সম্পন্ন করে নিতে পারি। ফটোগ্রাফি, ভিডিওগ্রাফি কিংবা শিল্পকলার নতুন কিছু শিখতে অনলাইনকে কাজে লাগাতে পারি।

সর্বোপরি অনলাইনের ইতিবাচক এবং নেতিবাচক দুটি দিকই রয়েছে। আজকাল আমাদের দেশে অনেকেই সাইবার বুলিং এর শিকার হচ্ছে। এছাড়াও  অনেকে অনলাইনে হয়রানির শিকার হচ্ছে। আমরা যাতে অনলাইনে হয়রানির শিকার না হই সেটা মাথায় রেখে অনলাইন ব্যবহার করতে হবে এবং বিনোদনের পাশাপাশি অনলাইনে নতুন কিছু শিখতে হবে।

Sign Up to Our Newsletter

Be the first to know the latest updates

Whoops, you're not connected to Mailchimp. You need to enter a valid Mailchimp API key.

This Pop-up Is Included in the Theme
Best Choice for Creatives
Purchase Now